হ্যাটট্রিক গড়লেন অপ্রতিরোধ্য আইভী

হ্যাটট্রিক গড়লেন অপ্রতিরোধ্য আইভী

নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন তিনি। ১৯২ কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকে আইভী পেয়েছেন ১৬১২৭৩ ভোট। আর হাতী প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২১৭১ ভোট।

এর আগে আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পুরো সিটির নির্বাচনই এবার ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) হয়েছে। বড় ধরনের অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ছাড়াই শেষ হয় ভোটগ্রহণ। তবে কয়েকটি কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

-জীবন আর্ট এন্ড ডিজিটাল সাইন

২০১১ সালের ৫ মে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর এ নিয়ে তৃতীয়বার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এক লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। ওই নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৭০ শতাংশ।

পড়ুনঃ-  আজ থেকে শুরু ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসাবে সেলিনা হায়াৎ আইভী ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬১১ ভোটে আবার নির্বাচিত হন। সেবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন পান ৯৬ হাজার ৪৪ ভোট। ওই সময়ে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ।

এবার ব্যতিক্রমী একটি নির্বাচন দেখছেন নারায়ণগঞ্জবাসী। এ নির্বাচনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার নির্বাচনী কোনো ইশতেহার ঘোষণা করেননি। তারা প্রচারের সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে মৌখিক নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

দৈনিক চারঘাট ইউটিউব চ্যানেলে SUBSCRIBE করুন।

পড়ুনঃ-  নিজেদের চাহিদাই মেটাতে পারছে না কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র!