শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রাম, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীদের ভিড়

শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রাম, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীদের ভিড়

আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে কুড়িগ্রাম। গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে জেলায় অবস্থিত রাজারহাট কৃষি ও সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার।

রাজারহাট কৃষি ও সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান রোববার (৩০ জানুয়ারি) থেকে বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টানা ৫ দিন জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এরপর শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কখনো, হালকা এবং ভারি ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রোববার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। তিনি আরও জানান, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও দু-তিন দিন কমতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।

পড়ুনঃ-  সুন্দরবন থেকে ৪২ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার

এদিকে বৃষ্টির পর আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে নদীপারের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন বেশি। কনকনে হিমেল হাওয়ার কারণে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। রোববার হালকা কুয়াশার আস্তরণে ঢাকা পড়ে চারদিক। সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। এ অবস্থায় শ্রমজীবী মানুষ এক সপ্তাহ ধরে ঠিকমতো কাজে যেতে না পারায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

পড়ুনঃ-  রূপগঞ্জে যমুনা টিভির সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এসব রোগে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। ফলে হাসপাতালগুলোতে এখন রোগীদের ভিড় বেড়ে গেছে।

জেলা সদরের জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শহিদুল্ল্যাহ জানান, ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ২১ জন শিশু।

পড়ুনঃ-  নওগাঁর নিয়ামতপুরে সোমবার ৮ ইউনিয়নের নির্বাচন

তিনি আরও জানান, রোববার ১২ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৩৩ জন ভর্তি আছেন। তার মধ্যে ২৭ জনই শিশু। আর নবজাতকসহ ৪২ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে সাতজন নিউমোনিয়া আক্রান্তসহ ৫৮ শিশু ভর্তি আছেন। সর্বমোট ভর্তি আছেন ২৮৯ জন রোগী। #সময় নিউজ