যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের চরম সংকট!

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের চরম সংকট!

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে চরম সংকট দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সুপারস্টোরগুলোতে মিলছে না মাংস, দুধ থেকে শুরু করে টয়লেট পেপার পর্যন্ত। সরবরাহ সংকট ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশটিতে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের।

সুপারস্টোরগুলোর শূন্য তাক। এক সময় যেখানে উপচেপড়তো নানা পণ্যের পসরা। এখন দুধ, মাংস কিংবা সবজির মতো প্রয়োজনীয় পণ্য না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। শুধু তাই নয়, পাওয়া যাচ্ছে না টয়লেট পেপারও।

এমন চিত্র উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া, আফগানিস্তান কিংবা যুদ্ধপীড়িত কোন দেশের নয়। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও সম্পদশালী দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সুপারশপগুলোর।

পড়ুনঃ-  চারঘাটে কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজাল গুড়, দেখার নেই কেউ

প্রাচুর্য আর ভোগী জীবনে অভ্যস্ত মার্কিনিদের জন্য এটি চরম দুর্দশা। সুপারশপে আগত একজন ক্রেতা বলেছেন, মাংস নেই, এমনকি নেই টয়লেট পেপারও। এটা অদ্ভূত, এটা অবিশ্বাস্য। আমি আমার মেয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু সুপারশপগুলোতে কিছুই নেই। একদম কিচ্ছু না। এটা একদমই অবিশ্বাস্য।

পড়ুনঃ-  গণহত্যার ঘটনায় পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এদিকে এ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ওমিক্রন, মূল্যস্ফীতি, সাপ্লাই চেইন সংকটের সঙ্গে যোগ হয়েছে তুষারপাতসহ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া।

শীতের সময় প্রয়োজনীয় পণ্য না পেয়ে আতঙ্ক থেকে অনেকেই মজুদ করছেন খাদ্যসহ নিত্য পণ্য। এতে সমস্যা আরও তীব্র হচ্ছে।

এ বিষয়ে একজন ক্রেতা বলেছেন, আমি কখনই এতগুলো তাককে একসঙ্গে ফাঁকা থাকতে দেখিনি। আমি কলা কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু পুরো সুপারস্টোরে আছে মাত্র চার পাঁচটি কলা। গত দুই সপ্তাহ ধরে আমার পাতে কোন সালাদ নেই। আমি এক স্টোর থেকে আরেক স্টোরে ঘুরছি, কিন্তু কোথাও কিছু নেই। এ রকম পরিস্থিতি আমি আর কখনই দেখিনি।

পড়ুনঃ-  রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়, ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেবেন বাইডেন?

এদিকে করোনা মহামারির প্রভাবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি চরমে। দেশটির ভোক্তা মূল্যসূচক গত ডিসেম্বর মাসে সাত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।