গণহত্যার ঘটনায় পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গণহত্যার ঘটনায় পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯৭১-এ নির্যাতন ও গণহত্যা চালানোর জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পতাকা উত্তোলনকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে মরণোত্তর বিচারের আওতায় আনা উচিত, যাতে পাকিস্তানের নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষের অপরাধের বোঝা কমে।

এদিন জাতিসংঘে ইউক্রেনের পক্ষে ভোটদান প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এতে রাশিয়া ক্ষোভ প্রকাশের কারণ নেই। মানবিক কারণেই বাংলাদেশ এবার জাতিসংঘে ইউক্রেনের তোলা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

পড়ুনঃ-  ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত সাংবাদিককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ভিড়

পাকিস্তানের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরতে ভবিষ্যতে সফররত বিদেশি অতিথিদের বধ্যভূমি পরিদর্শন করিয়ে স্বাক্ষর গ্রহণে বাংলাদেশের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানের শুরু করা গণহত্যা ও নির্যাতন চলতে থাকে দীর্ঘ ৯ মাস। বীর বাঙালি ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনলে ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী সব অপরাধ ঘটানো ৯৩ হাজার পাক সেনা আত্মসমর্পণ করে যৌথ বাহিনীর কাছে।

পড়ুনঃ-  বাঘায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আবারও আলোচনায় আ'লীগ সভাপতি কুদ্দুস !

এই বিপুলসংখ্যক সৈন্যকে ফিরিয়ে নিতে ১৯৭২ সালের ২ জুলাই সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো। চুক্তিতে উল্লেখ আছে, দেশে ফেরানোর পর এই সৈন্যদের মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি দেওয়া হবে। অথচ ৫০ বছরেও সেই শাস্তি কার্যকরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি পাকিস্তান সরকার